মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন

(মোঃনাছির আহাম্মেদ,লালমাই)

কুমিল্লায় বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় লালমাই সরকারি কলেজে নব-গঠিত লালমাই প্রেস ক্লাব এর উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে এ দিবস পালন করা হয়।

লালমাই প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক, দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শাহজাহন মজুমদারের নেতৃত্বে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভা ও র‍্যালিতে লালমাই প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়কগন সহ সকল সদস্যবৃন্দ এবং লালমাই সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মমিন মজুমদার, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীগন উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত আলোচনা সভায় লালমাই প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলেধরে বলেন ক্রীড়া সাংবাদিকগন বিশ্বের সকল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সকল নিউজ মানুষের কাছে তুলেধরেন, যা বর্তমান বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়।

সকল সাংবাদিকতের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল বাঁধা বিপত্তির উর্দ্ধে উঠে সত্য ও বস্তুু নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করার জন্য আহ্বান করেন।

উল্লেখ্য প্রায় একশ’ বছর আগে ১৯২৪ সালের ২ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে International Sports Press Association (AIPS) এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরই মধ্যে এআইপিএসের ব্যাপ্তি বেড়েছে অনেক। বর্তমানে এর পতাকাতলে সমবেত দেশের সংখ্যা ১৬৭। বাংলাদেশে এআইপিএসের একমাত্র স্বীকৃত সংস্থা হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি’। বিশ্বের ক্রীড়া সাংবাদিকদের এক কাতারে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে ২ জুলাই এআইপিএসের জন্মদিনকে স্মরণ করে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস।

বিশ্বের ক্রীড়া সাংবাদিকদের এক কাতারে নিয়ে আসার লক্ষে ১৯৯৫ সাল থেকে ২ জুলাই AIPS এর জন্মদিনকে স্মরণ করে সারাবিশ্বে পালিত হয় বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বিশ্বের সকল ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকরা নিজেদের জন্য আলাদা একটি দিন পায় আন্তর্জাতিকভাবে।

আধুনিক বিশ্বে ক্রীড়া সাংবাদিকতা এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। ফলে যতই দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে ক্রীড়া সাংবাদিকতার গুরুত্ব, পাশাপাশি বাড়ছে এ পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও বৈষয়িক মর্যাদা। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষেত্র অনেকটা সীমিত থাকায় ক্রীড়া সাংবাদিকতার পরিধিও সীমিত ছিল। তবে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত কিছু সাফল্যে এ অঞ্চলের মানুষ ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আলাদা করে ভাবার উপলক্ষ পেয়ে যায়। এরমধ্যে রয়েছে ১৯৫৮ সালে ব্রজেন দাসের ইংলিশ চ্যানেল জয়, নুরুন্নবী চৌধুরির পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হওয়া, ১৯৫৯ সালে আগাখান গোল্ডকাপে ঢাকা মোহামেডানের শিরোপা জয় ইত্যাদি।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: