1. jagocomilla24@gmail.com : jago comilla :
  2. weekybibarton@gmail.com : Amit Mazumder : Amit Mazumder
  3. sufian3500@gmaill.com : sufian Rasel : sufian Rasel
  4. sujhon2011@gmail.com : sujhon :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
তামিম – সৌম্যের ব্যাটে ঝড়; শেষ ম্যাচে ১০ উইকেটের দাপুটে জয় নিম্নচাপটি এখন ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’, পায়রা ও মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড় রেমাল; ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, আসছে মহাবিপদ সংকেত! জাতীয় কবি কাজী নজরুলের জন্মদিন আজ কুমিল্লায় নজরুল- নজরুলের কুমিল্লা কুমিল্লায় বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাচনে দেবরের জন্য ভোট চাচ্ছেন এমপির স্ত্রী দেবিদ্বারে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাহিদার পক্ষে প্রচারণায় সাবেক এমপি রাজী ফখরুল! যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও এক লজ্জার হার; সিরিজ খোয়ালো বাংলাদেশ দেবিদ্বারে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নেতাকর্মী ও এজেন্টদের  ভুয়া আইনশৃঙ্খলাবাহিনী পরিচয়ে হুমকির অভিযোগ

যেভাবে ফেঁসে গেলেন তুরিন আফরোজ

  • প্রকাশ কালঃ শনিবার, ১২ মে, ২০১৮
  • ৩২৬

অনলাইন ডেস্ক:
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে গত ২৪ এপ্রিল গ্রেপ্তার করে৷

পরদিন ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়৷ এই মামলার প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ এবং তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান৷ গত বছর তদন্ত শুরু হওয়ার পর ১১ নভেম্বর তুরিন আফরোজকে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়৷

অভিযোগ উঠেছে, ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তারের আগে গত নভেম্বর তুরিন আফরোজ প্রথমে তাকে টেলিফোন করে দেখা করার সময় চান৷ এরপর একটি হোটেলে ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে গোপন বেঠকও করেন তিনি৷ এ সংক্রান্ত দু’টি অডিও-রেকর্ড পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত সংস্থার হাতে এলে তা চিফ প্রসিকিউটরকে হস্তান্তর করা হয়৷ অডিও-রেকর্ড দু’টি ওয়াহিদুল হক গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়৷

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সিনিয়র সমন্বয়ক সানাউল হক বলেন, দু’টি অডিওর মধ্যে একটি টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ড৷ এটা চার মিনিটের মতো৷ অন্য অডিওটি ঐ গোপন বৈঠকের, প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার মতো৷ টেলিফোনে কথা হয় গত বছরের ১৮ নভেম্বর আর বৈঠকটি হয় ঢাকার অলিভ গার্ডেন নামে একটি রেস্তোরাঁর গোপন কক্ষে পরদিন, অর্থাৎ ১৯ নভেম্বর৷ সেখানে তুরিন আফরোজ, তাঁর সহকারী ফারবি, আসামি ওয়াহিদুল হকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন৷’

সানাউল হক জানান, টেলিফোন রেকর্ডে তুরিন আফরোজ জানিয়েছেন যে তিনি বোরকা পড়ে ওই হোটেলে যাবেন৷ তাঁর সঙ্গে থাকেবে সহকারী ফারাবি, যাকে তিনি নিজের স্বামী পরিচয়ে সেখানে নিয়ে যাবেন৷

বৈঠকের অডিও-রেকর্ডে কী আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা বলা সম্ভব তাই বলছি৷ বৈঠকে তুরিন আফরোজ মামলার মেরিট নিয়ে আসামির সঙ্গে দীর্ঘ কথা বলেন এবং মামলার পুরো ডকুমেন্টের এক সেট ফটোকপি আসামিকে হস্তান্তর করেন৷

আরেক প্রশ্নের জবাবে সানাউল হক বলেন, তুরিন আফরোজের সহকারী ফরাবি বারবার ওয়াহিদুল হকের কাছে তার আর্থিক অবস্থার কথা জানতে চান৷ ওয়াহিদুল হককে বলেন, আপনি তো অনেক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদে চাকরি করেছেন৷ আপনার তো অনেক টাকা-পয়সা থাকার কথা৷

সানাউল হকের কথায়, এখানে আসলে তিনটি বিষয় বিবেচ্য৷ আসামির সঙ্গে গোপনে ছদ্মবেশে দেখা করা, তাকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হস্তান্তর করা এবং মামলার মেরিট নিয়ে আসামির সঙ্গে আলোচনা করা৷ এর কোনোটিই তিনি করতে পারেন না৷ আইন মন্ত্রণালয় এখন পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে৷ আসামি মামলার ডকুমেন্ট পাবে আদালতের নির্দেশে৷ প্রসিকিউটর ব্যক্তিগতভাবে আসামির সঙ্গে দেখা করতে পারেন না৷ এমনকি মামলার মেরিট নিয়েও আসামির সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন না প্রসিকিউটর৷

সানাউল হক জানান, গুলশান থানার পুলিশ এপ্রিল মাসে ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তারের পর, মামলার জন্য তার মোবাইল ফোনসহ আরো কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জব্দ করে৷ মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে গুলাশান থানার ওসি ঐ দু’টি অডিও রেকর্ড পান, যা তিনি শোনার পর নিয়ম অনুয়ায়ী কপি করে আমাদের (তদন্ত সংস্থার) কাছে হস্তান্তর করেন৷ আমরা অডিও রেকর্ড শুনে তা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরকে দেই৷ তারপর ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়৷

এ নিয়ে কথা বলার জন্য তুরিন আফরোজের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি৷ তবে তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্বীকার করে বলেছেন, আমি তদন্তের জন্য যে কোনো কৌশল অবলম্বন করতে পারি৷ আর আমি যা করেছি, আমার ঊর্ধতনদের জানিয়ে করেছি৷ আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে৷

তবে সানাউল হক বলেন, তুরিন আফরোজ মামলার তদন্তকারী নন৷ তদন্ত করছেন উপ-পরিচালক মতিউর রহমান৷ সুতরাং তুরিন আফরোজের তদন্তের প্রশ্নই ওঠে না৷ তাছাড়া তিনি আসামির সঙ্গে গোপন বৈঠক করবেন বা দেখা করবেন – এটা আমাদের বা চিফ প্রসিকিউটরকে জানাননি৷ জানালেও অনুমতি পেতেন না৷ কারণ এটা বেআইনি৷

মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আরেকজন প্রসিকউটর রানা দাশগুপ্ত বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণ হওয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তুরিন আফরোজকে সব মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে৷ তবে প্রসিকিউটরদের নিয়োগ দেয় সরকার৷ তাই তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে আইন মন্ত্রণালয়৷

তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আইনমন্ত্রণালয়ের তদন্তে যদি তুরিন আফরোজ চূড়ান্তভাবে দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে প্রসিকিউশনে কোনো প্রভাব বড়বে না৷ কিন্তু প্রসিকিউটরদের ওপর সাধারণ মানুষের এক ধরেনের আস্থাহীনতা তৈরি হবে৷

উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগে তদন্ত হচ্ছে৷ আসামি ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে গোপন বৈঠক, মামলার নথি তার কাছে হস্তান্তর ও মামলার মেরিট নিয়ে কথা বলা৷

অভিযোগের প্রমাণ ও অডিও রেকর্ড এরইমধ্যে আইনমন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করেছে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিপ টিপু৷ প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তুরিন আফরোজকে ট্রাইব্যুনালের সব মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়৷

গোলাম আরিপ টিপু সাংবাদিকদের বলেন, আইন মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে৷ তিনি দোষী হলে অবশ্যই তাঁর শাস্তি হবে৷ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও বুধবার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর কথা জানিয়েছেন৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুনঃ

© All rights reserved © 2024 Jago Comilla
Theme Customized By BreakingNews