শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১০ অপরাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক:
ধর্ষণের ঘটনা কমাতে এবার কঠোর হচ্ছে পাকিস্তানের আইন। রাসায়নিক প্রয়োগে ধ’র্ষকদের পুরুষা’ঙ্গ (কেমিক্যা’ল কাস্ট্রে’শন) অকেজো করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অনুমোদন পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে পাকিস্তানের জিও টেলিভিশন।

ধ’র্ষণের মামলাগুলোকে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে বিচার করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। যাতে অপরা’ধীদের শা’স্তি পেতে অযথা দেরি না হয়। তবে এ ব্যাপারে এখনও সরকারি ঘোষণা দেয়া হয়নি। যদিও ক্ষমতাসীন দলের সিনেটর ফয়জল জাভেদ খান এক টুইটে লিখেছেন, ধর্ষণ দমনে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদনের জন্য শিগগিরই পার্লামেন্টে পেশ করা হবে।

পাকিস্তানের আইন মন্ত্রণালয় চলতি সপ্তাহে ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ধ’র্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব দেয়। ধ’র্ষণ দমনে একটি অর্ডিন্যান্স জারির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে জানিয়ে ওই বৈঠকে একটি খসড়াও পেশ করা হয়।

খসড়ায় পাকিস্তানে নারীদের নিরাপত্তায় জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এর রয়েছে পুলিশে আরও বেশি সংখ্যায় নারী কর্মী নিয়োগ, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে ধ’র্ষণের মামলাগুলোর বিচার এবং ধ’র্ষণের ঘটনার সাক্ষীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উদ্ধৃতি করে জিও টিভি জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে যেন কোনও বিলম্ব না হয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন আইনে কোনও অস্বচ্ছতা থাকবে না। আইন কঠোর হবে। বিচার প্রক্রিয়াও হবে দ্রুততর। ধ’র্ষণের শিকার নারী যাতে নির্ভয়ে ঘটনার অভিযোগ জানাতে পারেন পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে সে দিকেও নজর রাখা হবে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। পরিচয় গোপন রাখা হবে তাদের।

এদিকে বৈঠকে কোনও কোনও মন্ত্রী ধ’র্ষকদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়ার দাবি তোলেন বলেও পাকিস্তানের গণমাধ্যম জানিয়েছে। তবে ইমরান খান বলেছেন, রাসায়নিক প্রয়োগে ধর্ষকদের পুরুষাঙ্গ অকেজো করে দেয়ার মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হোক। তার পর ধাপে ধাপে এগোনো যাবে।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: