সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক:
৩০ মিনিটের মধ্যে হাজির করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আদনানকে তাসফিয়ার বাবার কাছ থেকে নিয়ে যায় তাসফিয়া আমিন হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ওয়াহেদ বিন আসলাম ওরফে আসিফ মিজান (১৮) ও তার সহযোগীরা।

স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন নিখোঁজের পর তার বাবা মোহাম্মদ আমিন যখন তাসফিয়ার সন্ধান দাবিতে আদনানকে আটকে রেখে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের চেষ্টা করছিল তখন আসিফ মিজান, একরাম ও ফিরোজরা এসে এমন আশ্বাস দিয়ে আদনানকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। গ্রেফতারের পর আসিফ মিজানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ এসব তথ্য পেয়েছে।

বুধবার (২৩ মে) দিবাগত রাত ১১টায় নগরের পাঁচলাইশ এলাকা থেকে তাসফিয়া আমিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আসিফ মিজানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আসিফ মিজান পুলিশকে জানায়,গত ১ মে রাত ৯টায় আদনানের ফোন পেয়ে আসিফ মিজান গোলপাহাড় মোড়ের চায়না গ্রিলের সামনে আসে। পরে ঘটনা সামলাতে না পেরে আসিফ মিজান তাদের ‘বড়ভাই’ একরাম ও ফিরোজকে নিয়ে আসে। তারা সবাই তাসফিয়ার বাবাকে বুঝিয়ে আদনানকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে নিয়ে যেতে না পেরে রাত ১১টার দিকে তারা ৩০ মিনিটের মধ্যে তাসফিয়াকে হাজির করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আদনানকে ছাড়িয়ে নেয় এবং তাকে তার বাসায় পৌঁছে দেয়। পরদিন আসিফ মিজান জানতে পারে তাসফিয়ার মরদেহ পতেঙ্গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এ খবর শুনে আসিফ মিজান তিন দিন রাউজানে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আবার চট্টগ্রাম শহরে ফিরে আসে। ২৩ মে রাতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়।

তাসফিয়াকে চিনলেও তার সঙ্গে কখনো দেখা হয়নি বলে দাবি করেছে আসিফ মিজান। তাসফিয়াকে ‘ছোটভাই’ আননানের বান্ধবী বলেই জানতো আসিফ মিজান।

শুক্রবার (২৫ মে) ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আসিফ মিজানকে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) জাহেদুল ইসলাম।

গত ০২ মে সকালে স্থানীয়দের খবরে নগরের পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ব্রিজঘাট পাথরের ওপর থেকে সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের (১৬) মরদেহ উদ্ধার করে পতেঙ্গা থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৩ মে) তাসফিয়ার বাবা বাদী হয়ে আটক আদনান মির্জাকে প্রধান আসামি করে পতেঙ্গা থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন শওকত মিরাজ, আসিফ মিজান, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম, যুবলীগ নেতা মো. ফিরোজ ও তার সহযোগী সোহায়েল ওরফে সোহেল।

গত ২ মে সন্ধ্যায় নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে পুলিশ তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জাকে (১৭) আটক করে

 

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: