বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিল্লা সিটিতে কর্মরত কোনো ব্যক্তিকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা করা হবে না।

শনিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জাগো কুমিল্লাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডি উইং শাখার পরিচালক (পরিচালনা) মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সিটি করপোরেশনে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কোনো ব্যক্তিকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা করা হবে না। আমরা অন্যান্য উপজেলার থেকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা এনে নির্বাচন করব। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। আশা করি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকাবাসী আমাকে সহযোগিতা করবেন।

প্রার্থীদের আচরণবিধি বিষয়ে তিনি বলেন, আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনও তৎপর আছে। সম্প্রতি তফসিল ঘোষিত হয়েছে। প্রচার-প্রচারণার নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। তার আগে যেন কোনো প্রার্থী পোস্টার-লিফলেট প্রচার না করেন।

আগামী ১৫ জুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ভোট। এ লক্ষ্যে ২৫ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৭ মে। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ মে ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ মে, প্রতীক বরাদ্দ ২৭ মে এবং ভোট গ্রহণ ১৫ জুন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু দ্বিতীয়বারের মতো কুসিকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ সিটিতে সে সময় ভোট হয়েছিল ১০৩টি কেন্দ্রে। মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জন।

২০১১ সালে দুটি পৌরসভাকে একীভূত করে গঠন করা হয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নামে নতুন একটি করপোরেশন। ওই বছরই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১৭ সালে এসে এ সিটি পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি ইউপিকে অন্তর্ভুক্ত করে আয়তন বাড়ানো হয় প্রায় তিন গুণ। বর্তমানে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: