রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা নগরীতে ফ্রেশকাট শাক-সবজী ও ফলমূল প্রক্রিয়াজাতকরন ও বিপণন কার্যক্রম সম্প্রসারণে বেশ কিছু প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। এ কার্যক্রম জোরদার করতে প্রশিক্ষন,ক্ষুদ্র উদ্যেক্তা সহ বিভিন্ন শপিং মলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‌্যালি সহ গণমাধ্যেম প্রচারণা সহ বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়েছে।

বুধবার সকালে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ঢাকা ও কৃষি বিপণন কুমিল্লা জেলার উদ্যেগে নগরীতে র‌্যালি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা,সুশিল সমাজের প্রতিনিধি,গনমাধ্যেম কর্মী ও বিভিন্ন শপিং মলের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহন করেন।

জানা যায়, “রেডি টু কুক ও রেডি টু ফুড” উন্নত বিশ্বের ন্যায় আমাদের দেশে প্রচলন করতে ফ্রেশকাট শাক-সবজী ও ফলমূল প্রক্রিয়াজাতকরন ও বিপণন কার্যক্রম সম্প্রসারণে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। রাজধানী ঢাকার পর দেশের বড় ও উন্নত জেলাগুলিতে সহজলভ্য ও প্রস্তুতকৃত পন্য ক্রয়ে আগ্রহী মানুষ বাড়ছে। ইতিমধ্যে রাজধানী সহ দেশের ৫টি জেলা এ কর্মসূচির আওতায় এসেছে।

এতে একদিকে কৃষক যেমন লাভবান হচ্ছেন তেমনি কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য তা সহজলভ্য হচ্ছে। এতে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখতে পারে। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর ও অর্থনৈতিকভাবে বেশ অগ্রসর জেলা কুমিল্লায় ইতিমধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি বিপণন কুমিল্লা জেলা কার্য্যলয়।

এ কার্যক্রম আরো সম্প্রসারন ও জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে গতকাল বুধবার নগরীর ইপিজেড রোডে র‌্যালী বের হয়। পরে স্থানীয় একটি শপিং মলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অনান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর্মসূচি পরিচালক তৌহিদ মো.রাশেদ খান,সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র দে, সাহিদুল ইসলাম,জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া,উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো.ফখরুল আলম ভূইয়া, স্বপ্ন, রোসা ও আল নূরী শপিং মলের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন,শাক-সবজি সংরক্ষন করার অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্যাকেজিং । উন্নত বিশ্বে এটা গুরুত্বপূর্ন শিল্প ও ব্যবসা হিসেবে প্রসার লাভ করেছে। আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

কৃষকের অধিক মুনাফার পাশাপাশি শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে টেকসই বিপণন ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ফ্রেশকাট শাক-সবজী ও ফলমূল প্রক্রিয়াজাতকরন ও বিপণন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবিতে পরিনত হয়েছে।এটা দেশের অর্থনেতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দারিদ্রতা হ্রাসকরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: