1. jagocomilla24@gmail.com : jago comilla :
  2. weekybibarton@gmail.com : Amit Mazumder : Amit Mazumder
  3. sufian3500@gmaill.com : sufian Rasel : sufian Rasel
  4. sujhon2011@gmail.com : sujhon :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১০:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
নিরাপত্তা বিবেচনায় সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা টাইব্রেকারে ব্রাজিলকে বিদায় করে সেমিতে উরুগুয়ে বাজপাখি মার্টিনেজ নৈপুণ্যে সেমিতে আর্জেন্টিনা কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চাঁদপুর হাজীগঞ্জে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পেলেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ শিশু-কিশোরদের অবক্ষয় রোধে বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কুমিল্লায় স্ত্রীকে হত্যা ১০ বছর পর স্বামীর ফাঁসির আদেশ! ১ হাজার ৪৪ কোটি ৫০ লাখ  টাকার বাজেট ঘোষণা করলেন কুমিল্লা সিটি মেয়র ডাঃ তাহসীন বাহার সূচনা আজ থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু শেষটা রাঙিয়ে অবসরের ঘোষণা কোহলির

কুমিল্লায় করোনায় ছেলের পর মায়ের মৃত্যু, ২ মেয়েও পজিটিভ

  • প্রকাশ কালঃ রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫২৭

অমিত মজুমদার, কুমিল্লা

করোনায় মারা গেছে ছেলে সাহাবুদ্দিন। তার মৃত্যুর ১৩ দিন পর মা আমেনা বেগমও মারা যান করোনা আক্রান্ত হয়ে। তাদের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে দুই মেয়ে। এদের মধ্যে একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শনিবার (০৭ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আমেনা বেগমের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। এক ছেলে বিদেশ থাকে। ছেলে সাহাবুদ্দিনের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। কিছুদিন পর তিনিও করোনা আক্রান্ত হন। তাকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হয়। শনিবার দুপুরে তিনি মারা যান। ১৩ দিনের ব্যবধানে মা-ছেলে মৃত্যুতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। লাশ দাফনে কেউ এগিয়ে আসেনি। লাশ বাড়িতে পড়ে থাকার খবর পেয়ে ছুটে যায় গাউছিয়া কমিটির মানবিক টিম।

গাউছিয়া কমিটির মানবিক টিমের প্রধান মো. আবদুল হান্নান জানান, স্থানীয় একজনের ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি, আমেনা বেগমের লাশ দাফনে কেউ এগিয়ে আসছে না। তাৎক্ষণিক আমাদের টিমের ছয় সদস্যকে পাঠানো হয়। জানাজা শেষে কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে অনেক দূর হেঁটে কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে লাশ দাফন করা হয়। কেউ মাটি দিতেও এগিয়ে আসেনি।

আড্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাফর উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ছেলে মারা যাওয়ার ১৩ দিনের মাথায় মায়ের মৃত্যুর এমন ঘটনা দুঃখজনক। বর্তমানে তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার ও রাশেদা আক্তার করোনায় আক্রান্ত। একজন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ সচেতন না। করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও পরীক্ষা করাচ্ছেন না। আবার হাসপাতালেও যাচ্ছেন না। অনেকে বাড়িতেই মারা যাচ্ছে।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুনঃ

© All rights reserved © 2024 Jago Comilla
Theme Customized By BreakingNews