শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:৩০ অপরাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক:
ঈদকে সামনে রেখে কুমিল্লায় নকল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী সামগ্রীতে সয়লাব হয়েছে বাজার। বিভিন্ন শো রুমের পাশাপাশি নগরীর কান্দিরপাড় পসরা সাজিয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এসব প্রসাধনী। নকল ও নিম্নমানের পণ্য কিনে ক্রেতারা প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি এসব প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে মানুষের শরীরে সৃষ্টি হচ্ছে নানা রোগের।

ক্রেতাদের কাছে যে পণ্যটির চাহিদা বেশি থাকে, সেটিই হুবহু নকল করে ফেলছে অসাধু এসব ব্যবসায়ী। এসব ব্যবসায়ীর ওপর প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় ত্বকের ক্ষতিকারক কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা এসব প্রসাধনী বাজারজাত করতেও কোনো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের ওপর স্টিকার লাগিয়ে কিংবা ঘষামাজা করে ঠকানো হচ্ছে ক্রেতাদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীর কান্দিরপাড় এবং রাজগঞ্জ একটি চক্র এসব নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী নগরীতে ছড়িয়ে দেয়ার পেছনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এ ব্যবসা চলে আসলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো অভিযান লক্ষ্য করা যায়নি। সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদ সামনে রেখে নগরীর কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ, চকবাজার, নিউমার্কেট এবং ফুটপাতের ওপর পসড়া সাজিয়ে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে বডি স্প্রে, পারফিউম, ক্রিম, লোশন ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ঈদের আগে কান্দিরপাড় এবং রাজগঞ্জ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রশাসন নকল প্রসাধন সামগ্রির গুদাম সিলগালা করলেও এবার প্রশাসনের সে ধরনের কোনো অভিযান নেই।

রাজগঞ্জ বাজারে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী জানান, যেসব প্রসাধনীর বেশি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্য দ্রুত নকল হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি নকল হচ্ছে বডি স্প্রে ও সুগন্ধি। এছাড়া নকলের তালিকায় রয়েছে ডাভ ও ইমপেরিয়াল ব্র্যান্ডের সাবান। শ্যাম্পুর মধ্যে বেশি নকল হচ্ছে হেড অ্যান্ড শোল্ডার, লরেল, রেভলন ও পেনটিন। নকল হচ্ছে সানসিল্ক এবং ক্লিয়ার শ্যাম্পুও। প্রসাধনীগুলো নকল হয়ে যাওয়ায় অনেক সময় আসল নকল চেনা যায় না। ক্রেতারা ব্যবহারের পর অভিযোগ করছে। কিন্তু তখন কিছুই করার থাকে না।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: