শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

জাগো কুমিল্লা ডট কম

কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর নগর উদ্যান এলাকায় প্রকাশ্যে সিহাব উদ্দিন অন্তু (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। সে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার হুমায়ন কবিরের ছেলে। মঙ্গলবার রাত ৮ টায় এ ঘটনা ঘটে। সে অজিত গুহ কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন তরুণ কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সিহাব উদ্দিন অন্তুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরত্বর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ নেওয়া হলে দায়িত্বরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা কান্দিরপাড় ফাঁড়ি ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। হাসপাতালে যাচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ মর্গে রয়েছে । তবে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা হাসপাতালের সমালে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করছে।

বাসা থেকে ধর্মসাগর পাড়ে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় অন্তুকে

( জাগো কুমিল্লা.কম)

বাসা থেকে ধর্মসাগর পাড়ে ডেকে নিয়ে সিহাব উদ্দিন অন্তু (১৮) কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টায় ধর্মসাগর পাড়ের পশ্চিম পাড় থেকে অন্তুর দেহ উদ্ধার করা হয়। তার পরিচিতজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহত কলেজ ছাত্রের বুকের ডান পাশে এবং ডান পায়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

অন্ত অজিতগুহ কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি বুড়িচং উপজেলার ইছাপুরা গ্রামে। সে ওই গ্রামের মো. হুমায়ুন কবির এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মোসা. শিরিন আক্তারের একমাত্র ছেলে।

সূত্র জানায়, শিহাব উদ্দিন অন্তুদের বাসা রেইসকোর্সে। ধর্মসাগর পাড়ে সন্ধ্যার প্রায় সময় আড্ডা দিতো, গান গাইতো। বাসা থেকে অন্তুকে  কয়েকজন যুবক ডেকে ধর্মসাগর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে কারো সাথে কোন দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। এছাড়া শোকাহত পরিবারের সদস্যরা এব্যাপারে তেমন কিছু বলতে পারছেনা। খবর পেয়ে হাসপাতালের সকল নার্স ছুটে আসে। তাদের কান্নায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আবু ছালাম মিয়া বলেন, স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ধর্মসাগরপাড়ে কিছু ছেলে আড্ডা দিচ্ছিলো। এর মাঝে চিৎকার শোনা যায়। পরে অন্তুর রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। আমরা হত্যার কারণ ও অপরাধী শনাক্তে কাজ করছি

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: