1. jagocomilla24@gmail.com : jago comilla :
  2. weekybibarton@gmail.com : Amit Mazumder : Amit Mazumder
  3. sufian3500@gmaill.com : sufian Rasel : sufian Rasel
  4. sujhon2011@gmail.com : sujhon :
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

কুমিল্লার দুইটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে সতর্ক জারি ইউজিসির

  • প্রকাশ কালঃ মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮
  • ১৬৩

অনলাইন ডেস্ক:
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সামনে রেখে শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এক গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থা তুলে ধরেছে ইউজিসি। মঙ্গলবার ইউজিসির ওয়েবসাইটে এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এর আগেও ইউজিসি এভাবে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে মোট ১০১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৯১টিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এগুলোর মধ্যে ৬০টিতে উপাচার্য, ২০টিতে সহ-উপাচার্য এবং ৪৪টিতে আচার্যের নিয়োগ করা কোষাধ্যক্ষ আছে। বাকিগুলোতে নেই।

গণবিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, সমস্যা থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইবাইস ইউনিভার্সিটিতে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। বোর্ড অব ট্রাস্টিজ নিয়ে দ্বন্দ্ব বা আদালতে বিচারাধীন থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও রয়েছে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কুমিল্লার ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ও সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি। সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে চলছে।

সরকার বন্ধ করলেও আদালতের রায়ে চলছে আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা। অননুমোদিত ক্যাম্পাস চালাচ্ছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং, দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া এবং অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

কুইন্স ইউনিভার্সিটি সরকার বন্ধ করেছিল। পরে ২০১৫ সালে শর্তসাপেক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বছরের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পত্র দেয়। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে তারা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

গণবিদ্যালয়ের কয়েকটি প্রোগ্রামের বিষয়ে ইউজিসির অবস্থান এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা রিট এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি প্রোগ্রামে ছাত্র ভর্তির করাতে আদালতের নির্দেশনা থাকার কথাও তুলে ধরা হয় গণবিজ্ঞপ্তিতে। আর আদালতের আদেশে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় ও এর সব কটি শাখা ক্যাম্পাস বন্ধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আটটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি অনুমোদন পেলেও শিক্ষা কার্যক্রম বা ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়নি। এগুলো হলো কেরানীগঞ্জের রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জের রূপায়ণ এ কে এম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, আনোয়ার খান মডার্ন ইউনিভার্সিটি, জেড এন আর এফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস, আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহীর শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, খুলনার খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত দেশে কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা, ক্যাম্পাস, স্টাডি সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনার অনুমতি দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি। এ জন্য কোনো বিদেশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে প্রতারণার শিকার না হতে সতর্ক করেছে ইউজিসি।- প্রথম আলো

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুনঃ

© All rights reserved © 2024 Jago Comilla
Theme Customized By BreakingNews