বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:২৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার( ২৬ নভেম্বর) ভোর ৫ টা ৪৬ মিনিটে এটি অনুভূত হয়।

ইউরোপিয়ান সিসমোলজিক্যাল আর্থকোয়াক সেন্টার (ইএসএমসি) বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫.৮। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর অবস্থান।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের হাখা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫.৮। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪২.১ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর অবস্থান।

তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও এই ভূমিকম্পের প্রভাবে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে সড়কে নেমে আসেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল বরাবর বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল ‘সাবডাকশন জোন’  রয়েছে।

পৃথিবীর উপরিভাগের ৭০-১০০ কিলোমিটার পুরুত্বের লিথোস্ফিয়ার ছোট-বড় ১৩টি খণ্ডে (প্লেটে) বিভক্ত। উত্তপ্ত ও নরম এস্থোনোস্ফিয়ারের উপর ভাসমান এ প্লেটগুলো গতিশীল।

প্লেটগুলো গতিশীল থাকায় ভূখণ্ড ধীরে ধীরে সরতে থাকে, যেটাকে ‘অ্যাকটিভ ফল্ট’ বা সক্রিয় চ্যুতি বলা হয়। প্লেটের স্থানচ্যুতির সময় জমে থাকা শক্তি বিপুল বেরিয়ে আসে, তখন সংযোগস্থলে ভূকম্পন হয়।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: