মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

days 27 hours 23 minutes 41 seconds 45

(মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস)
জীবনের চলার পথ কারও জন্য সুখের, আবার কারও জন্য দুঃখের। কেউ খুব সহজেই আরাম আয়েশে রোজগার করে পরিবারের মানুষদের নিয়ে সমাজে টিকে আছেন, আবার কেউ কষ্টের জীবিকায় সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। সমাজে উঁচু-নিচুর পার্থক্য অনেক আগে থেকেই চলে আসছে।

জীবন মানেই বেঁচে থাকার সংগ্রাম। জীবিকার তাগিদে মানুষকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হয়। এমনই একজনের সন্ধান পাওয়া গেছে কুমিল্লা তিতাস উপজেলার মজিদপুর গ্রামে সাহাপাড়ায়। ওই গ্রামের মৃ’ত নিরঞ্জন চন্দ্র সাহার ছোট ছেলে শারীরিক প্রতিব’ন্ধী রাজীব চন্দ্র সাহা(৩৫)।

আগে দেখা যেতো প্রতিবন্ধী মানেই ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ। তবে বর্তমানে চিত্রটা ভিন্ন। মানুষ এখন মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চায়। তেমনি ভিক্ষা না করেই জীবনকে জয় করতে চান রাজীব। তাই বাবার মৃত্যুর পর শারীরিক অক্ষমতা উপেক্ষা করে অন্যের দয়ার উপর নির্ভর না করে সিদ্ধ বুট বিক্রি করে দুই ছেলে, এক বোন, মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ছয়জনের সংসার চালাচ্ছেন।

জানা গেছে শুধু তিনি একা নয় তাহার এক বোন ও এক ছেলে তার মতো এমন প্রতিবন্ধী। তিনি উপজেলার মজিদপুর বাজারে অবস্থিত আয়েশা ব্রাইট ফিউচার স্কুল এন্ড কলেজের সামনে সিদ্ধ বুট বিক্রি করে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরাই তার প্রধান ক্রেতা। সম্প্রতি তার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী এবং তার এক বোন ও এক ছেলেও জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী। তাই তার বাবার মৃত্যুর পর প্রায় ১৫বছর ধরে এই বুট বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।

প্রতিদিন বিক্রি হয় প্রায় তিন চারশ টাকা। এতে যা আয় হয় তাই দিয়ে এবং সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দিয়ে দুই ছেলের লেখাপড়া ও সংসার চালাতে হয়।

আরও পড়ুন