বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৩ অপরাহ্ন


স্টাফ রিপোর্টার :
শ্রম দপ্তরের অনুমোদনকৃত সংগঠন গুলোকে হয়রানী ও তাদের নামে চাঁদা বাজির প্রতিবাদে মত বিনিময় সভা করেছে কুমিল্লা জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি: ১৫৬৯ এর সিএনজি মালিক শ্রমিকরা। তাদের দাবী আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে লাইনম্যান নিয়োগ দেই, তারা আমাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সংগঠনের নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে আমরাই ব্যবস্থা নেই।


গতকাল ( মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ কোটবাড়ী রোডে সিএনজি স্ট্যান্ডে মালিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় শ্রমিকরা এসব কথা বলেন।
উনাইশার গ্রামের শ্রমিক তুহিন বকসি জানান, আমরা শ্রম দপ্তরে নিয়ম মেনে তিন বৎসর পরপর ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নেতা নির্বাচন করি। আমাদের কাযক্রম পরিচালনা করার জন্য আমরা কেরানী নিয়োগ দেই। কেরানী মাধ্যমে আমাদের সংগঠনের ফান্ডে কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে জমা ও খরচ হয়। ব্যক্তি কোন নেতাদের আমাদের জমাকৃত টাকা খরচ বা আত্মসাত করার সুযোগ নেই। এই টাকা থেকে আমরা মৃত্যু পেনশন চিকিৎসা ও অনুদান দিয়ে থাকি। প্রতি ৩০ তারিখে আমরা আমাদের আয় ও ব্যয় হিসাব কোষাধক্ষের মাধ্যমে বুঝে নেই। বুজিয়া না দিলে আমরা যে কোনো সময় নেতা পদত্যাগ করাতে বাধ্য হতাম। আমাদের নেতা কোনো প্রকার চাঁদাবাজির সাথে জড়িত নাই। বিভিন্ন জায়গায় ইজারার নামে টাকা নিলেও আমরা তাদের থেকে কোনো প্রকার সুফল পাই না।
কোটবাড়ী এলাকার সিএনজি চালক তাজুল ইসলাম বলেন, দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালনা করে বৈধ সংগঠনের উপর দ্বায়ভার চাপিয়ে দিচ্ছে তা ঠিক নয়, সমর্পূণরুপে মিথ্যা ও বানোয়াট। বিগত দিনে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক ধরে এনে আমাদের নেতাদের নাম জড়িয়ে দিচ্ছে। এর প্রতিবাদে আমরা বিগত দিনে মানববন্ধন করি। আমাদের নেতারা কোনো অনিয়মের সাথে জড়িত নাই। যদি মাঠ পর্যায়ে কোনো কেরানী অনিয়ম করে আমরা অভিযোগ দেওয়ার সাথে সাথে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা করে থাকি। তারপর যদি কেউ অনিয়ম করে থাকে তা দ্বায়ভার নেতারা থাকবে না। তারা নিজেরাই দ্বায় থাকিবে।
গোবিন্দপুর এলাকার আবদুল হাই বলেন, আমরা শ্রমিক ইউনিয়নকে কেরানীর মাধ্যমে প্রতিদিন একবার করে ২০/- টাকা প্রদান করে থাকি। আর মালিক সমিতিকে একবার করে ১০ টাকা মোট ৩০ টাকা প্রদান করে থাকি। যাহা সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ’র কাছে জমা ও খরচ হয়ে থাকে। এর বাহিরে কোনো টাকা উত্তোলন হয় না বা কোন ব্যক্তি খরচ করার সুযোগ নেই। আমরা সদস্য হয়ে সংগঠনকে এই চাঁদা দিয়ে থাকি। আমাদের থেকে কেই জোর করে টাকা নেয় না। আর এই টাকা সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ’র মাধ্যমে জমা হয়ে থাকে।
জাঙ্গালিয়া এলাকার মিজান বলেন, আমাদের সংগঠনের স্থান সমূহ কান্দিরপাড় ,টমছমব্রীজ ও কুমিল্লা মুখী বিশ্বরোড এর বাহিরে আমাদের সংগঠনের কোন প্রকার কাযক্রম নাই। এর বাহিরে যদি কেউ কার্যক্রম করে,আমাদের সংগঠনের নেতাদের উপরে দায় না চাপায়,তাই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: